দলিল, খতিয়ান, নামজারি, কর রসিদ — যেকোনো সম্পত্তির কাগজ আপলোড করুন। AI বিশ্লেষণ করে গরমিল, জালিয়াতি ও ঝুঁকি চিহ্নিত করে, প্রতিটি তথ্যের উৎসসহ বিস্তারিত রিপোর্ট দেয়।
বাংলাদেশে জমি ও সম্পত্তির বিরোধ সবচেয়ে বড় আইনি সমস্যা। একটি ভুল কাগজের জন্য মানুষ সারাজীবন ভোগে — অর্থ, সময় আর শান্তি সবই হারায়।
এই বিরোধগুলোর প্রধান কারণ — জাল দলিল ও রেকর্ডে গরমিল। অর্থাৎ বেশিরভাগ ক্ষতিই এড়ানো যেত, যদি কেনার আগে কাগজ ঠিকভাবে যাচাই করা হতো। কেনার আগে যাচাই না করলে যা হতে পারে —
নকল সিল, ভুয়া রেজিস্ট্রেশন নম্বর বা সম্পূর্ণ বানানো দলিল দিয়ে এমন জমি বিক্রি, যার মালিকানা বিক্রেতার নেই।
দলিল, খতিয়ান ও নামজারির মধ্যে মালিকের নাম, দাগ বা পরিমাণে অমিল — যা ভবিষ্যতে মালিকানা বিরোধ তৈরি করে।
ফ্ল্যাট বা প্ল্যানে জাল রাজউক/পূর্ত অনুমোদন, যা ক্রেতাকে অবৈধ স্থাপনার ফাঁদে ফেলে দেয়।
সূত্র: ভূমি সংস্কার ও উন্নয়ন সংস্থা (ALRD), বিশ্বব্যাংক ও Policy Research Institute (PRI) গবেষণা — অনুমিত পরিসংখ্যান।
ছবি বা স্ক্যান করা দলিল, খতিয়ান বা যেকোনো সম্পত্তির কাগজ আপলোড করুন — বাংলা ও ইংরেজি উভয়ই সমর্থিত।
উন্নত OCR বাংলা লেখা পড়ে, AI কাগজের ধরন শনাক্ত করে এবং তথ্যের গরমিল ও ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে।
প্রতিটি তথ্যের উৎসসহ একটি পরিষ্কার রিপোর্ট — কী ঠিক, কোথায় ঝুঁকি, এবং কী যাচাই করা প্রয়োজন।
AI প্রতিটি কাগজ বিশ্লেষণ করে। যেখানে নিশ্চিত নয়, সেখানে একজন মানব বিশেষজ্ঞ পর্যালোচনা করেন — কোনো অনুমান নয়, শুধু নিশ্চিত তথ্য।
রিপোর্টের প্রতিটি তথ্য কাগজের কোন অংশ থেকে এসেছে তা দেখানো হয়। সম্পূর্ণ অডিট ট্রেইল — কিছুই লুকানো নয়।
আপনার কাগজ এনক্রিপ্ট করা অবস্থায় সংরক্ষিত থাকে। আপনার অনুমতি ছাড়া কেউ দেখতে পারে না।
সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিশ্চিত হোন। কয়েক মিনিটেই আপনার সম্পত্তির কাগজের পূর্ণ বিশ্লেষণ।